নারীর মর্যাদা ও নিরাপত্তায় কোনো আপস হবে না: ডা. শফিকুর রহমান
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, নারীর মর্যাদা ও নিরাপত্তার প্রশ্নে কোনো আপস করা হবে না। নারীরা যেন ঘরে ও কর্মস্থলে শতভাগ নিরাপত্তা ও সম্মান পান—সে বিষয়ে জামায়াতে ইসলামী অঙ্গীকারবদ্ধ।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলার সরকারি পাতারহাট রশিক চন্দ্র (আরসি) কলেজ মাঠে ১১ দলীয় ঐক্যের নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন,
“জীবন দিতে রাজি আছি, কিন্তু মায়ের ইজ্জত কাউকে বন্ধক দিতে রাজি নই। সুযোগ আমাদের হাতে না আসা পর্যন্ত এই লড়াই চলবে। মায়েদের মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত আমাদের কেউ থামাতে পারবে না।”
নারীদের পোশাক নিয়ে হয়রানির ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন,
“একজন মানুষ কীভাবে একজন নারীর পোশাক নিয়ে টানাটানি করার কথা ভাবতে পারে, তা আমার বোধগম্য নয়। সেও তো কোনো মায়ের সন্তান। বিভিন্ন জায়গায় হিজাব ও নিকাব পরা নারীদের হয়রানি ও শারীরিক নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।”
তরুণদের উদ্দেশে তিনি বলেন,
“যুবসমাজ কখনো বেকার ভাতা চায়নি, তারা কাজ চেয়েছে। আমরা কাউকে বেকার ভাতা দিয়ে বেইজ্জত করতে চাই না। যোগ্যতা অনুযায়ী কাজ দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য।”
ক্ষমতায় এলে তরুণ-তরুণীসহ সব নাগরিকের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করার প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।
মিথ্যাচারের অভিযোগ তুলে জামায়াত আমির বলেন,
“আমার সঙ্গে জড়িত নয়—এমন অপরাধ আমার নামে বানিয়ে প্রচার করা হচ্ছে। বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষকে এতটা বোকা ভাববেন না। সত্য কখনো আড়ালে থাকে না, মেঘ কখনো স্থায়ীভাবে সূর্য ঢেকে রাখতে পারে না।”
পরে বরিশালের পাঁচটি আসনের প্রার্থীদের হাতে প্রতীক তুলে দিয়ে তাঁদের পরিচয় করিয়ে দেন তিনি। এ সময় বরিশাল-৩ আসনে জামায়াতের শরিক এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান ভুঁইয়া ওরফে ব্যারিস্টার ফুয়াদকেও ভোটের মাঠে প্রার্থী হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়।